দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ফিলিপাইন আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। ফিলিপাইন তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।
সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, দেশটি তাদের প্রয়োজনীয় তেলের ৯৮ শতাংশই পারস্য উপসাগর থেকে আমদানি করে। ফিলিপাইনের সাধারণ মানুষ গত তিন সপ্তাহে ইতোমধ্যে কয়েক দফা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কবলে পড়েছেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সেখানে ডিজেল ও পেট্রোলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।
প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র তার নির্বাহী আদেশে দেশের জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে একটি ‘আসন্ন বিপদের’ কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই ঘোষণার ফলে জ্বালানি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং সামগ্রিক অর্থনীতি রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আইনি ক্ষমতা সরকারের হাতে আসবে।
এই আদেশের অধীনে জ্বালানি তেল, খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সুশৃঙ্খল বণ্টন তদারকি করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে সরকারকে সরাসরি জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম পণ্য ক্রয়ের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
গত মঙ্গলবার দেশটির জ্বালানি মন্ত্রী জানান, বর্তমান ব্যবহারের হার অনুযায়ী ফিলিপাইনের কাছে আনুমানিক ৪৫ দিনের জ্বালানি মজুদ রয়েছে। প্রেসিডেন্ট কর্তৃক সময়সীমা বর্ধিত বা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এই আদেশ এক বছর বলবৎ থাকবে।
এবি/